আমাদের সম্পর্কে
একটি স্বপ্ন থেকে জন্ম নেওয়া তীর্থ আজ হাজারো শিক্ষার্থীর ভরসার ঠিকানা। আলো ছড়ানোর এই পথচলা ১৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত।
"ঐক্য, মানবতা ও শিক্ষাই আগামীর আলোকিত সমাজ নির্মাণের ভিত্তি"
আমাদের দর্শন
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
শিক্ষা
জ্ঞানের আলোয় আলোকিত শিক্ষার্থী গড়ে তোলাই তীর্থের প্রধান লক্ষ্য। একাডেমিক সহায়তা থেকে শুরু করে দক্ষতা উন্নয়ন পর্যন্ত — আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি শিক্ষার্থী সম্ভাবনাময়।
মানবতা
সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানো তীর্থের মূল দর্শন। দুর্যোগে, সংকটে, প্রতিদিনের জীবনে — মানবিক সংযোগই আমাদের শক্তি।
ঐক্য
বিভিন্ন বিভাগ ও পটভূমির শিক্ষার্থীদের এক সুতোয় বেঁধে রাখে তীর্থ। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমাদের লক্ষ্য
তীর্থের লক্ষ্য হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং একাডেমিক উৎকর্ষতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। আমরা বিশ্বাস করি যে একজন শিক্ষিত ও মানবিক তরুণ প্রজন্মই পারে আগামীর বাংলাদেশকে আলোকিত করতে।
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ গড়ে তোলা যেখানে কোনো শিক্ষার্থী একা লড়াই করবেন না। একাডেমিক সংকটে, স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায়, বা জীবনের যেকোনো কঠিন মুহূর্তে — তীর্থ সবসময় পাশে থাকবে।
আমাদের যাত্রা
ইতিহাস
প্রতিষ্ঠা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল উদ্যমী শিক্ষার্থীর হাত ধরে তীর্থের যাত্রা শুরু হয়। মাত্র ২০ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নিয়ে সংগঠনটির পথচলা শুরু।
রক্তদান কর্মসূচির সূচনা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাথে চুক্তির মাধ্যমে নিয়মিত রক্তদান ক্যাম্পের আয়োজন শুরু হয়। প্রথম বছরেই ১৫০ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।
একাডেমিক সহায়তা প্রকল্প চালু
প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে টিউটোরিয়াল ও স্টাডি গ্রুপ চালু হয়। পাঁচ বছরে ৫০০-এর অধিক শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছেন।
মানবিক সহায়তা তহবিল গঠন
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যক্তিগত সংকটে দ্রুত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে একটি স্থায়ী তহবিল গঠিত হয়। রোহিঙ্গা সংকটে তীর্থ প্রথম সাড়া দেওয়া সংগঠনগুলোর একটি।
ভার্চুয়াল কার্যক্রমে রূপান্তর
মহামারির সময়ে অনলাইন একাডেমিক সেশন, ভার্চুয়াল রক্তদাতা নেটওয়ার্ক এবং অনলাইন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চালু করে তীর্থ তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখে।
দুই দশকের পথচলা
প্রায় ২০ বছরের অভিযাত্রায় তীর্থের সদস্য সংখ্যা এখন ১,০০০-এরও বেশি। প্রতি বছর রক্তদান, একাডেমিক সহায়তা ও মানবিক কার্যক্রমে হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে তীর্থ।
তীর্থের সাথে যুক্ত হন
আপনিও এই আলোর যাত্রার অংশ হতে পারেন। সদস্যপদ নিন, স্বেচ্ছাসেবী হন, অথবা আমাদের যেকোনো কার্যক্রমে যোগ দিন।